• ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ১১ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Arjun Sing

কলকাতা

ঋতব্রতর বৈঠকে হঠাৎ নির্মল! তারপরই মন্ত্রীর বিস্ফোরক বার্তা, ‘যেখানেই থাকুন, গ্রেফতার হবেন’

তোলাবাজির মামলায় অভিযুক্ত পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষকে ঘিরে ফের তীব্র রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে। তপসিয়ায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের বৈঠকে আচমকাই দেখা যায় তাঁকে। এরপরই শুরু হয় জল্পনা। তবে ঋতব্রত শিবিরের দাবি, ওই বৈঠকে নির্মল ঘোষকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। এই বিতর্কের মধ্যেই রাজ্যের পরিবহনমন্ত্রী অর্জুন সিং স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, আইন আইনের পথেই চলবে। তাঁর বক্তব্য, নির্মল ঘোষ যেখানেই থাকুন বা যে শিবিরেই থাকুন না কেন, প্রয়োজন হলে তাঁকে গ্রেফতার করা হবে। পুলিশ তাদের কাজ করবে।রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর দুর্নীতি ও তোলাবাজির অভিযোগে একের পর এক প্রাক্তন তৃণমূল নেতা ও বিধায়কের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে পুলিশ। সেই তালিকায় উঠে আসে নির্মল ঘোষের নামও। তোলাবাজির মামলায় এক বার-কাম-হোটেলের মালিক গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই নির্মল ঘোষের খোঁজ শুরু হয়। দীর্ঘদিন তাঁর কোনও সন্ধান মেলেনি। পুলিশ তাঁর মোবাইলের অবস্থানও খতিয়ে দেখছিল বলে সূত্রের খবর।এই পরিস্থিতির মধ্যেই হঠাৎ তপসিয়ার বৈঠকে নির্মল ঘোষকে দেখে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়। যদিও ঋতব্রত শিবিরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাঁকে কেউ ডাকেনি। অন্যদিকে নির্মল ঘোষ দাবি করেন, তিনি আমন্ত্রণ পেয়েই সেখানে গিয়েছিলেন।পরে জানা যায়, ঋতব্রত শিবিরের তালিকায় থাকা নির্মল ঘোষ আসলে পশ্চিম মেদিনীপুরের এক শ্রমিক নেতা। নামের মিল থেকেই বিভ্রান্তি তৈরি হয়। তবে এই ঘটনায় পানিহাটির নির্মল ঘোষকে ঘিরে রাজনৈতিক আলোচনা আরও জোরদার হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে চলা মামলার তদন্ত কোন দিকে এগোয় এবং পুলিশ পরবর্তী সময়ে কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১২, ২০২৬
রাজ্য

পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জে গুলি! শুভেন্দুর ঘনিষ্ঠকে খুন ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ বিজেপির

কাজের সূত্রে মধ্যমগ্রাম থেকে বারাসতের দিকে যাচ্ছিলেন শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহকারী চন্দ্রনাথ রথ। অভিযোগ, মাঝ রাস্তায় তাঁর গাড়ি আটকে খুব কাছ থেকে পরপর গুলি চালানো হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। প্রশ্ন উঠছে, এটি কি শুধুই খুন, নাকি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ফল?চন্দ্রনাথ রথ খুনের ঘটনায় বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন বিজেপি নেতা অর্জুন সিং। তিনি সরাসরি তৃণমূল এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে আঙুল তুলেছেন। অর্জুনের দাবি, এটি অত্যন্ত পরিকল্পিত হামলা এবং পেশাদার খুনিদের দিয়েই এই কাজ করানো হয়েছে। তাঁর কথায়, খুব কাছ থেকে অত্যাধুনিক অস্ত্র দিয়ে গুলি চালানো হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, হামলার সময় গাড়িতে তিনজন ছিলেন। একজন নিচু হয়ে যাওয়ায় বেঁচে যান, তবে চালক এবং চন্দ্রনাথ গুলিবিদ্ধ হন।অন্যদিকে বিজেপি মুখপাত্র শঙ্কুদেব পণ্ডাও দাবি করেছেন, পুরো ঘটনাটি আগে থেকেই পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, দিনের পর দিন নজরদারি চালিয়ে তারপর চন্দ্রনাথকে খুন করা হয়েছে। নির্বাচনে ফল খারাপ হওয়ার পরও শাসকদলের কোনও শিক্ষা হয়নি বলেও কটাক্ষ করেন তিনি। পাশাপাশি পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শঙ্কুদেব। তাঁর দাবি, ঘটনার কয়েক ঘণ্টা কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনও বড় পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনাকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ শুভেন্দু অধিকারী বর্তমানে বিজেপির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ। তাঁর ঘনিষ্ঠ সহকারীকে এভাবে প্রকাশ্যে গুলি করে খুনের ঘটনায় নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি।এদিকে একই রাতে বসিরহাটেও বিজেপি কর্মী রোহিত রায়কে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ফলে এক রাতেই পরপর দুই বিজেপি কর্মীর উপর হামলার ঘটনায় রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বেড়েছে।

মে ০৭, ২০২৬
কলকাতা

মেসি কাণ্ডে ১০০ কোটির ঘাপলা? সামনে এল বিস্ফোরক তথ্য

যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে চরম বিশৃঙ্খলার মধ্যেই সামনে এল বড় অভিযোগ। প্রায় ১০০ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম হয়েছে বলে দাবি করলেন প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং। তাঁর অভিযোগ, এই ঘটনার নেপথ্যে বড় কোনও মাথা জড়িত রয়েছে এবং দ্রুত তদন্ত হওয়া দরকার।অর্জুন সিং বলেন, মাঠে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ স্পষ্ট ছিল। অনেকেই বলছিলেন, তাঁরা মেসিকে দেখতে এসেছিলেন। তাঁর দাবি, স্টেডিয়াম হয়তো প্রতীকী মূল্যে বুক করা হয়ে থাকতে পারে, তাতে আপত্তি নেই। কিন্তু সমস্যা হয়েছে অন্য জায়গায়। সাধারণ মানুষের আপত্তি ছিল জলের বোতলের দাম নিয়ে। ১০ টাকার জলের বোতল ১৫০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে বলে অভিযোগ। পাশাপাশি, মেসিকে কার্যত চুরি করে মাঠ থেকে বের করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, গোটা ঘটনায় প্রায় ১০০ কোটি টাকার ব্যবসা হয়েছে।অর্জুন সিং আরও বলেন, সাধারণ মানুষ বলছেন, যাঁদের মাঠে দেখা গিয়েছে, তাঁদের দেখানোর নাম করে কোটি কোটি টাকা তোলা হয়েছে। এই টাকার বড় অংশ আত্মসাৎ হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর মতে, কী চুক্তি হয়েছিল, কোথায় ক্ষতি হয়েছে, সব কিছু সামনে আনা দরকার। এই কারণে দ্রুত ইডি তদন্ত হওয়া উচিত বলেও দাবি জানান তিনি।এ প্রসঙ্গে রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন অর্জুন সিং। তাঁর প্রশ্ন, কেন ডিজি-কে হঠাৎ প্রেস কনফারেন্স ছেড়ে উঠে যেতে হল। তাঁর কথায়, ডিজি আবেগের বশে কিছু কথা বলে ফেলেছিলেন। তারপর দুমিনিটের মধ্যেই তাঁকে প্রেস কনফারেন্স ছেড়ে চলে যেতে হয়।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, মেসিকে দেখার জন্য কেউ চার হাজার, কেউ আট হাজার, আবার কেউ ১০ হাজার টাকা দিয়ে টিকিট কেটেছিলেন। কিন্তু বিশৃঙ্খলার কারণে মেসির এক ঝলকও দেখতে পাননি তাঁরা। ক্ষুব্ধ দর্শকরা পুলিশ এবং উদ্যোক্তাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন। স্টেডিয়ামের ভেতরে পরিস্থিতি রীতিমতো রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। চলে ব্যাপক ভাঙচুর। সরকারি সম্পত্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।এই পরিস্থিতিতে রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার জানান, যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাঁদের টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫
রাজ্য

ভোলার গাড়ি দুর্ঘটনা কি খুনের ফন্দি? শাহজাহান নয়—‘বড় মাথা’র নাম ঘুরছে রাজনীতির অন্দরে!

শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে বসিরহাট আদালতে সাক্ষ্য দিতে যাওয়ার পথে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় পড়েছিলেন ভোলানাথ ঘোষ। সেই ঘটনায় বেঁচে গেলেও, ছেলেকে হারিয়েছেন তিনি। প্রাথমিক চিকিৎসার পর হাসপাতাল থেকেই ভোলানাথ অভিযোগ করেনএটা নিছক দুর্ঘটনা নয়, এটা পুরো পরিকল্পনা করে করা হয়েছে। কিন্তু সেই পরিকল্পনার নেপথ্যে কে? এই প্রশ্নে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি।বৃহস্পতিবার বিজেপি নেতা অর্জুন সিং বিস্ফোরক দাবি করেছেন, এই ঘটনার মাস্টারমাইন্ড নন শেখ শাহজাহান। তাঁর কথায়, এটা শাহজাহানের প্ল্যান নয়, এটা IPS-স্তরের এক বড় মাথার চক্রান্ত। সময় এলে সব বলব। তাঁর আরও দাবি, ভোলাকে খুন করার চক্রান্ত হয়েছিল। শাহজাহানের কপাল খারাপ, তাই ভোলা বেঁচে গিয়েছেন। কারণ তিনি সিটবেল্ট পরেছিলেন। না হলে আজ খুনের প্ল্যান সফল হয়ে যেত।অর্জুনের সবচেয়ে বড় অভিযোগএই চক্রান্তের নেপথ্যে পুলিশ। তিনি বলেন, এই যে নিখুঁতভাবে ট্র্যাক করে গাড়ি ধাক্কা দেওয়া হয়েছে এটা পুলিশ ছাড়া সম্ভব নয়। মোবাইল টাওয়ার ট্যাক করা হয়েছে। একজন IPS আগেও শাহজাহানকে আত্মসমর্পণ করিয়েছিলেন। এবারও তাঁর মাথাতেই এই পুরো প্ল্যান। তিনি এও বলেন, শেখ শাহজাহানের সাত পুরুষের ক্ষমতা নেই এত বড় প্ল্যান করার।এই ঘটনার তদন্ত CBI বা ED-র হাতে তুলে দেওয়ার দাবি তুলেছেন অর্জুন সিং।এরই মধ্যে লরি চালক আলিম মোল্লার নাম বারবার উঠে আসছে। ভোলানাথ নিজেও সংবাদমাধ্যমে তাঁর নাম বলেছেন। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়এত বড় ঘটনায় এখনও ন্যাজাট থানায় কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি পরিবারের তরফে। ছেলের মৃত্যুর পরও অভিযোগ দাখিলে দেরি কেননতুন করে সেই নিয়েই উঠছে প্রশ্ন।

ডিসেম্বর ১১, ২০২৫
রাজনীতি

বিজেপির সদস্যপদ পুনঃ নবীকরণ করলেন অর্জুন সিংহ, দিল্লি পদ্মে যোগ দিলেন দিব্যেন্দু অধিকারী

পুনরায় দিল্লীতে বিজেপি যোগদান করলেন ব্যারাকপুরের সদ্য প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংহ এবং তমলুকের তৃণমূল সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। আজ শুক্রবার পুর্ব নির্ধারিত সুচী অনুযায়ী দিল্লির বিজেপি সদর দফতরে বিজেপির উত্তরীয় পরেন প্রাক্তন দুই সাংসদ। দুই নেতাকে সাংবাদিক সাংবাদিক বৈঠক করে সাদ্রে বরণ করে নিয়েছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।দিব্যেন্দু অধিকারী এবং অর্জুন সিংকে স্বাগত জানিয়ে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব অমিত মালব্য বলেন, নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে যে ভাবে বিজেপিতে ওঁরা যোগ দিলেন, সেটা থেকে বোঝা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর দলকে নেতৃত্ব দিতে ব্যর্থ হয়েছেন। সন্দেশখালির ঘটনায় ভীষণভাবে দুঃখ পেয়েছেন তৃণমূলের দুই সাংসদ। তাই তাঁরা বিজেপিতে যোগ দিলেন। অমিত মালব্য আরো বলেন, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী এবং তাঁর পরিবারের সদস্যেরা দুর্নীতিগ্রস্ত। তাঁদের একাধিক মন্ত্রী দুর্নীতির জন্য জেলে আছেন। আদালতের নির্দেশে তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। আজ সারা বাংলায় আইনের শাসন নেই। যাঁরাই পশ্চিমবঙ্গে শান্তি আনতে চান, তাঁদের সকলকে আমরা বিজেপি দলে নিয়ে আসার চেষ্টা করব।বিজেপিতে যোগদান করে তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী বলেন, আজ আমার জন্য শুভ দিন। আমি বিজেপি পরিবারের সদস্য হলাম। অর্জুন সিংহের সঙ্গে আমি লোকসভায় কাজ করেছি। আমাদের নেতা মোদীজি সারা দুনিয়ার নেতা। তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আমি এই দলে যোগ দিয়েছি। সুকান্ত মজুমদার, দাদা শুভেন্দু অধিকারীকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন দিব্যেন্দু। দিব্যেন্দু আরও বলেন, আমরা মা দুর্গা, মা কালীর পুজো করি। সন্দেশখালিতে মহিলাদের সঙ্গে যা হয়েছে, নিন্দা করার ভাষা নেই। সন্দেশখালি এখন সারা দেশের উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিজেপি ওখানকার নির্যাতিতদের পাশে দাঁড়িয়েছে। ৫০০-১০০০ টাকা দিয়ে মহিলাদের সম্মান করা যায় না। মমতার দল বাংলার মহিলাদের সম্মান করতে ব্যর্থ হয়েছেন।

মার্চ ১৫, ২০২৪
রাজনীতি

অর্জুন, দিব্যেন্দু বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন দিল্লিতে! ভাইপো সৌরভ তৃণমূল প্রার্থীর এজেন্ট

২২ মাস পর ঘরওয়াপসি হচ্ছে ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিংয়ের। আজ বৃহস্পতিবার দিল্লি যাবেন, পরের দিন শুক্রবার বিজেপিতে যোগ দেবেন ব্যারাকপুরের বিদায়ী সাংসদ। এদিন তাঁর বিজেপিতে ফেরার খবর ঘোষণার সময়ই অর্জুন দাবি করেছেন যে, তাঁর সঙ্গেই তৃণমূলের আরও এক নেতা গেরুয়া শিবিরের নাম লেখাবেন। তাপস রায়, অর্জুন সিংয়ের পর আর কে ফুল বদব করবেন? তা নিয়ে দিনভর জল্পনা চলে।অর্জুন সিংয়ের ঘোষণার ঘন্টাখানেক পর জানা যায়, তমলুকের বিদায়ী তৃণমূল সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী শুক্রবার বিজেপিতে যোগ দেবেন। ব্যারাকপুরের সাংসদের সঙ্গে তিনিও আজ রাজধানী যাচ্ছেন। দিব্যেন্দু সম্পর্কে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর ভাই। কাঁথির সাংসদ শিশির অধিকারীর ছোট ছেলে।গুঞ্জন যে, তমলুক লোকসভা আসনে এবার বিজেপি প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে প্রার্থী করতে পারে। ইতিমধ্যেই তমলুক, নন্দীগ্রাম ঘুরে এসেছেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। অভিজিৎবাবু শান্তিকুঞ্জে গিয়ে বর্ষীয়ান শিশির অধিকারীর সঙ্গেও দেখা করেন। রটনা সত্যি হলে তমলুকে দিব্যেন্দুর প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা কম। এখন দেখার তমলুক, নাকি বাংলার অন্য কোনও লোকসভা কেন্দ্র থেকে দিব্যেন্দুকে পদ্ম বাহিনী প্রার্থী করে কিনা।#Barrackpore pic.twitter.com/QNCsF96sCh Arjun Singh (@ArjunsinghWB) March 14, 2024২০১৯ সালে তমলুক থেকে জোড়াফুল প্রতীকে লড়ে জয় পেয়েছিলেন দিব্যেন্দু অধিকারী। এরপর ২০২১ সালে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন শুভেন্দু অধিকারী। তার পর থেকেই পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথির অধিকারী পরিবারের সঙ্গে তৃণমূলের দূরত্ব বাড়ে। দিব্যেন্দুর বাবা তথা কাঁথির প্রবীণ সাংসদ শিশির অধিকারীর সঙ্গে তৃণমূলের বাগযুদ্ধে সরগরম থেকেছে রাজ্য রাজনীতি। সেই সময় বিধানসভা ভোটের প্রচারে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-র সভাতেও দেখা গিয়েছিল বর্ষীয়ান শিশিরকে। শিশির এবং দিব্যেন্দুর সাংসদ পদ বাতিলের জন্য লোকসভার স্পিকারের কাছে আবেদন করে তৃণমূলের সংসদীয় দল। সেই সময় থেকেই তৃণমূলে নিষ্ক্রিয় তমলুকের সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী।এদিকে ব্যারাকপুরে তৃণমূলের টিকিট না পেয়ে ক্ষুব্ধ অর্জুন সিং জানিয়ে দেন, তাঁর সঙ্গে বিশ্বাসভঙ্গ করা হয়েছে। তাঁকে প্রার্থী করবে বলে কথা দিয়েও তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব কথা রাখেনি। তারপর বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ করতে থাকেন। বৃহস্পতিবার অর্জুন জানিয়ে দেন তিনি বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন। তিনি ব্যারাকপুরে বিজেপি প্রার্থী হচ্ছেন বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন। এদিকে অর্জুনের ভাইপো সৌরভ সিং ব্যারাকপুরের তৃণমূল প্রার্থী পার্থ ভৌমিকের নির্বাচনী এজেন্ট হচ্ছেন। জানিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী।

মার্চ ১৪, ২০২৪
রাজ্য

জগদ্দলের তৃণমূল বিধায়ককে নাম না করে কটাক্ষ সাংসদ অর্জুন সিংয়ের

বর্ষা এলে মশা, মাছি, মৌমাছির উৎপাত বাড়ে। ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ে। ওষুধ দিলে ঠিক হয়ে যায়। নাম না করে দলীয় কার্যালয়ের জবরদখলের ঘটনায় এভাবেই জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যামকে কটাক্ষ করলেন ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং। কয়েকদিন আগেই ভাটপাড়া পুরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাটাডাঙ্গায় সম্মেলনী ক্লাব সন্নিহিত তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ের দখলদারী নিয়ে আচমকা বির্তকের অভিযোগ উঠেছিল দলেরই একাংশের বিরুদ্ধে। এমনকি ওই কার্যালয়ে তৃণমূলের শ্রমিক ইউনিয়নের ব্যানার ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। সেই খবর পৌঁছেছিল সাংসদ অর্জুন সিং এর কাছে। দিল্লি থেকে ফিরে শনিবার সাংসদ পৌছলেন ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সেই দলীয় কার্যালয়ে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় কাউন্সিলর দেবপ্রসাদ সরকার। এছাড়াও ছিলেন তৃণমূল নেতা মন্নু সাউ ও অন্যরা। এদিন অর্জুন সিং বলেন, সিপিএম আমলে যখন কোথাও কোনও বসার জায়গা ছিল না এটাই ছিলো আমাদের দলীয় কার্যালয়। তখন কোনও তৎকাল তৃণমূল নেতাকে সেখানে দেখা যায়নি। শ্রমিক ইউনিয়নের পার্টি অফিস মিলের গেটের সামনে হয়। এখানে কারা এরকম ঘটনা করাচ্ছে সেই বিষয়ে আমি কিছু জানি না। কিছু অ্যাকসিডেন্টাল তৃণমূল নেতার জন্য দলের এভাবে বদনাম হচ্ছে বলে দাবি অর্জুন সিংয়ের। যদিও বিধায়ক সোমনাথ শ্যামের প্রতিক্রিয়া জানতে তার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তার সাড়া মেলেনি। জানা গিয়েছে, তিনি এদিন শনি পুজো দিতে ব্যাস্ত ছিলেন।

আগস্ট ১৩, ২০২৩
কলকাতা

ধর্ষিতা কিশোরীর বাড়িতে তৃণমুল নেতৃত্ব। পাশে থাকার আশ্বাস

টিটাগরে কিশোরী কে ধর্ষণের ঘটনায় নির্যাতিতার বাড়িতে গেলেন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য সাংসদ অর্জুন সিং ও বিধায়ক রাজ চক্রবর্তীটিটাগর পৌরসভার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের নিউ লাইন অঞ্চলের ১৯ বছরের কিশোরীকে গণধর্ষণের পর আজ সন্ধ্যায় ধর্ষিতার বাড়িতে এলেন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, ব্যারাকপুরের বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী, ব্যারাকপুর সংসদ অর্জুন সিংহ, সহ টিটাগর তৃণমূলের নেতৃত্ব। প্রত্যেকেই ধর্ষিতার সঙ্গে কথা বলেন এবং তাকে আশ্বস্ত করেন। এরপর চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিদের জানান নক্কারজনক ঘটনায় ইতিমধ্যেই ঘটনা চারজনের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে টিটাগর থানার পুলিশ। দোষীদের যাতে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয় সে ব্যাপারেও প্রশাসনের সাথে কথা বলবেন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২২
রাজ্য

জগদ্দলে গঙ্গায় ডুবে মৃত পরিবারের পাশে সাংসদ অর্জুন সিং, দিলেন আর্থিক সাহায্য

মঙ্গলবার দুপুরে জগদ্দলের বিচুলি ঘাটে গঙ্গায় তলিয়ে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল তিন কিশোর-সহ চারজন। ওইদিন রাতেই বিপর্যয় মোকাবিলার টিম বিচুলি ঘাট থেকেই শম্ভু রাম (১৯) ও সৌরভ প্রাসাদের (১৪) মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। বুধবার সকালে ব্যারাকপুর দুই পয়সার ঘাট থেকে জিতু চৌধুরীর (১৪) মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। এদিন সন্ধায় ব্যারাকপুর দুই পয়সার ঘাট থেকেই গৌতম প্রাসাদের (১৫) দেহ উদ্ধার করা হয়। তারপর তাঁর দেহ জগদ্দল বিচুলি ঘাটে আনা হয়। চারজনই ভাটপাড়ার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের জগদ্দল স্টেশন সংলগ্ন পূর্বাশা কলোনির বাসিন্দা। মৃতদের পরিবার পিছু ব্যক্তিগতভাবে এক লক্ষ টাকা আর্থিক সহযোগিতা দেবার কথা বুধবার ঘোষণা করেছিলেন ব্যারাকপুর কেন্দ্রের সাংসদ অর্জুন সিং। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পূর্বাশা কলোনি এলাকায় গিয়ে ৪ পরিবারের হাতে এক লক্ষ টাকা করে চেক তুলে দিলেন ব্যারাকপুরে সংসদ অর্জুন সিং। তার সাথে ছিলেন তৃণমূল নেতা মনোজ গুহ, স্থানীয় কাউন্সিলর সীমা মন্ডল সহ অন্যান্য তৃণমূল নেতারা। শোকোস্তব্ধ পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে তৃণমূল নেতা মনোজ গুহ বলেন, খুবই দুঃখজনক ঘটনা। সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা নেই, তবে সাংসদ নিজ উদ্যোগে তিনি এক লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য করেছেন।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২২
রাজনীতি

নিজের ঘরে ফিরলেন বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং

জল্পনা-কল্পনার অবসান হল। শেষমেশ বিজেপি ছাড়লেন অর্জুন সিং। যোগ দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসে। গত কয়েকদিন ধরেই বিজেপিতে থেকে বিদ্রোহ করছিলেন অর্জুন সিং। তৃণমূলে যোগ দিয়ে অর্জুন বলেন, নিজের ঘরে ফিরে এসেছি। ভুল বোঝাবুঝিতে দল ছেড়ে বিজেপিতে গিয়েছিলাম। রবিবার ক্যামাক স্ট্রিটে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে তৃণমূলে যোগ দিলেন অর্জুন সিং।সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেবেন কীনা এই প্রশ্নে অর্জুন সিং বলেন, দুজন তৃণমূল সাংসদ বিজেপিতে গিয়েছেন। তাঁরা পদত্যাগ করলেই আমি পদত্যাগ করব। অর্জুনের দাবি, সংগঠন শুধু ফেসবুকের মধ্যে থাকলে হয় না। রাজনীতি করা আটকে দিচ্ছিল। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী ও অভিষেকের সঙ্গে যোগাযোগ হয়। নিজের ঘরে নিজে ফিরে এসেছি। বঙ্গ বিজেপি শীতাতপ নিয়ন্ত্রণিত ঘরে বসে রাজনীতি করা যায় না বাংলায়।পাটশিল্প নিয়ে প্রথমে বিদ্রোহ শুরু করেছিলেন বিজেপি সাংসদ। অর্জুন সিং তারপর সাংগঠনিক বিদ্রোহ শুরু করেন। দিল্লিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় বস্ত্রমন্ত্রী ও সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গেও বৈঠক করেন। কিন্তু এসবে যে কোনও কাজ হবে না তা তৃণমূলে যোগ দিয়ে স্পষ্ট করলেন অর্জুন। এর আগে পুরভোটে বিজেপি প্রার্থী হতে অস্বীকার করেন অর্জুনের ভাইপো সৌরভ সিং। উল্টে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন অর্জুনের ডানহাত সৌরভ। এতে অর্জুন আরও স্পষ্ট করেন তিনিও তৃণমূলে পা বাড়াচ্ছেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে দলীয় পতাকা তুলে নেন অর্জুন সিং। বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, পাট শিল্পের দাবি বাহানা ছাড়া কিছুই না।

মে ২২, ২০২২
রাজ্য

Bhatpara-Bombing: ফের অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে বোমাবাজি

ফের সাংসদ অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে বোমাবাজি। মঙ্গলবার সকাল নটায় অর্জুন সিংয়ের বাড়ির পিছনে আবার বোমা ছুড়ে পালায় দুষ্কৃতীরা। ৮ ই সেপ্টেম্বরের পর ফের এদিন সকালের বোমাবাজির ঘটনায় প্রশ্ন উঠল প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে। সোমবারই সাংসদের বাড়ির বাইরে বোমাবাজির ঘটনায় তদন্তভার এনআইএ-কে দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। আর মঙ্গলবার সকালে ফের বোমাবাজির ঘটনা।সূত্রের খবর, সোমবার রাতে বারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিংয়ের ছেলে পবন সিংয়ের সঙ্গে ফোনে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন এনআইএ-এর এক কর্তা। গত ৮ ই সেপ্টেম্বর সাংসদের বাড়িতে বোমা মারার ঘটনা নিয়ে কথা বলেন তিনি। সাংসদের পরিবার সূত্রে খবর, মঙ্গলবার এই ঘটনায় তদন্তে আসতে পারে এনআইএ। তারই মধ্যে আজই ফের বোমাবাজি। বাড়ির সামনে নো পার্কিং জোন। সাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ। এই অবস্থায় দুষ্কৃতীরা কিভাবে বারে বারে বোমাবাজি করে? নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন সাংসদের পুত্র পবন সিংও।আরও পড়ুনঃ আচমকাই ভোট-প্রচারে ভবানীপুরে মমতাপ্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবারই সিআইএসএফ প্রহরার দেড় ফুটের মধ্যেই সাংসদ অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে বোমাবাজি হয়। সাংসদের নিরাপত্তা নিয়েই উঠছে একাধিক প্রশ্ন। তবে এই প্রথমবার নয়, ভোট পরবর্তী পর্যায়ে জুলাই মাসেও অর্জুনের বাড়িতে বোমাবাজি হয়।এদিকে, ভাটপাড়ায় বারবার গুলি, বোমা এবং খুনের ঘটনায় আতঙ্কিত এলাকার বাদিন্দারা। দিনকে দিন বাড়ছে দুষ্কৃতীরাজ। অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন এলাকাবাসীরাও। স্থানীয়রাই বলছেন, ভাটপাড়া ছেড়ে চলে যেতে ইচ্ছা হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের আত্মীয়রাও আসতে ভয় পাচ্ছেন বলে অভিযোগ।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১
রাজ্য

Arjun-NIA: অর্জুনের বাড়িতে বোমাবাজির ঘটনায় তদন্তভার এনআইএ-র

ভাটপাড়ায় বোমাবাজির ঘটনায় তদন্ত ভার নিল ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি বা এনআইএ । ৮ সেপ্টেম্বর বোমাবাজি হয় ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের বাড়ির সামনে। সেই ঘটনার তদন্ত ভার এনআইএকে দিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। উল্লেখযোগ্যভাবে, কোনও ঘটনার তদন্তভার সাধারণত তখনই এনআইএ-এর হাতে ন্যস্ত করা হয়, যখন সেখানে সন্ত্রাসবাদের কোনও যোগ থাকে। প্রশ্ন উঠছে, ভাটপাড়ার এই ঘটনায় কি তবে সেদিকেই ইঙ্গিত করছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।গত বুধবার সকালে সিআইএসএফের পাহারার মধ্যে থাকা সাংসদ অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে বোমাবাজির ঘটনার অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় সাংসদের নিরাপত্তা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। স্থানীয় সূত্রে খবর, বাইক থেকে পরপর ২-৩ টি বোমা ছোড়া হয় অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে বলে অভিযোগ। সিআইএসএফ জওয়ানদের সামনেই বোমা মেরে পালিয়ে যান যুবকরা। এই ঘটনায় অর্জুন সিং বলেছিলেন, তিনি কেন্দ্রীয় তদন্ত দাবি করবেন। এনআইএ ঘটনার তদন্ত করুক তিনি চান।আরও পড়ুনঃ কোহলিদের পাশে সৌরভ, শাস্ত্রীদের কোনও শাস্তি হচ্ছে নাসাংসদ অর্জুন সিং ওয়াই প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা পান। তারই মধ্যেও কী ভাবে এই ধরনের ঘটনা ঘটল, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এরপরই গত শুক্রবার রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে যান। তিনি সেখানে দাঁড়িয়েই বলেছিলেন, একজন সাংসদের বাড়িতে যে ভাবে বোমাবাজির ঘটনা ঘটেছে তা অত্যন্ত লজ্জার। ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের জেরেই এই বোমাবাজির ঘটনা। মুখ্যমন্ত্রী তো কোনও পদক্ষেপ করছেন না। জাতীয় সংস্থার গোয়েন্দারা দায়িত্ব নিলে সেখানে আর আলাদা করে বলার কিছু থাকবে না। এরই মধ্যে সোমবার জানা গেল, ভাটপাড়ার বোমাবাজিকাণ্ডের তদন্ত ভার এনআইএ-এর হাতেই তুলে দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।যদিও সূত্রের খবর, যে নির্দেশনামা এনআইএ-এর হাতে পৌঁছেছে, সেখানে অর্জুন সিংয়ের নাম উল্লেখ করা হয়নি। বলা হয়েছে, পবন সিংয়ের দপ্তরের সামনে বোমাবাজির ঘটনার তদন্ত করবে কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা। অর্থাৎ অর্জুন-পুত্র পবন সিংয়ের দপ্তর মানেই তা বিজেপি সাংসদের বাড়ির এলাকাই।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১
কলকাতা

Arjun Singh: অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে বোমাবাজি

বুধবার সকালে বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের বাড়ি লক্ষ্যে করে বোমা ছোড়া হয়। বোমা ছুড়ে পালায় দুষ্কৃতীরা। সাংসদের বাড়ির সামনে সিআরপিএফ প্রহরায় থাকাকালীন বোমা ছুড়ে পালায় দুষ্কৃতীরা। কেন্দ্রীয়বাহিনীর উপস্থিতিতেই এই হামলা হওয়ায় সাংসদের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ঘটনার তদন্ত করছে জগদ্দল থানার পুলিশ। ঘটনার সময়ে বাড়িতে ছিলেন না অর্জুন সিং। তিনি দিল্লিতে রয়েছেন। সকাল ৬.৩২ মিনিটে বোমাবাজি হয় তাঁর বাড়ির গেটে। সিআরপিএফের বাংকার অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে। পর পর ৩টি বোমা ছোড়া হয়। তবে বোমাবাজির কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। এর আগেও বোমা পড়েছে বিজেপি সাংসদের বাড়ির সামনে। কিন্তু তাঁর বাড়িতে হামলা এই প্রথম। Wanton violence in WB shows no sign of abating.Bomb explosions as this morning outside residence of Member Parliament @ArjunsinghWB is worrisome on law and order.Expect prompt action @WBPolice. As regards his security the issue has been earlier been flagged @MamataOfficial. Governor West Bengal Jagdeep Dhankhar (@jdhankhar1) September 8, 2021অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে হামলার ঘটনায় রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে টুইটারে তোপ দেগেছেন রাজ্যপাল। জগদীপ ধনখড় লেখেন, পশ্চিমবঙ্গে হিংসার শেষ দেখা যাচ্ছে না। সাংসদের বাড়ির সামনে বোমাবাজি আইনশৃঙ্খলার পক্ষে উদ্বেগজনক। ঘটনার নিন্দা করে দিলীপ ঘোষ বলেছেন, গত আড়াই বছর ধরে এটা রোজকার ঘটনা। অর্জুন সিংয়ের মাথা নত করাতে না পেরেই এমনটা করা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২১
কলকাতা

এবার অর্জুন সিং ও তাঁর ভাইপোকে তলব সিআইডির

এবার সিআইডির নজরে ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং। আর্থিক জালিয়াতি এবং প্রতারণার অভিযোগে বিজেপি সাংসদকে তলব করল তদন্তকারী সংস্থা। যদিও অর্জুনের দাবি, তিনি কোনওরকম প্রতারণাতে জড়িত নন। তৃণমূল প্রতিহিংসার রাজনীতি করছে।ভাটপাড়া পুরসভা এবং ভাটপাড়া কো-অপারেটিভ ব্যাংকের টাকা তছরুপের অভিযোগে ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদের পাশাপাশি তাঁর ভাইপো সৌরভ সিংকেও হাজিরার নোটিস দিয়েছে রাজ্যের তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি। সব মিলিয়ে অর্জুনের বিরুদ্ধে সাড়ে ৪ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগে রয়েছে। সিআইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত নটা নাগাদ সিআইডির একটি প্রতিনিধিদল পৌঁছয় জগদ্দলের মেঘনা মোড়ে অর্জুন সিংয়ের বাড়ি মজদুর ভবনে। সেসময় বাড়িতে ছিলেন না ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ। বাড়ির বাইরে প্রায় এক ঘণ্টা অপেক্ষা করেন সিআইডি কর্তারা। কিন্তু তখনও অর্জুন না ফেরায় ভবানী ভবনের তরফে মজদুর ভবনের দেওয়ালে নোটিস সেঁটে দিয়ে আসা হয় সিআইডি তরফে। তাতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত বছর আর্থিক তছরুপের দায়ে দায়ের হওয়া অভিযোগের তদন্তে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় সিআইডি। আগামী ২৫ মে সকাল ১১টার মধ্যে তাঁকে সিআইডি দপ্তরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।মূলত ভাটপাড়া কো-অপারেটিভ ব্যাংকের অর্থ তছরুপের অভিযোগ রয়েছে অর্জুনের বিরুদ্ধে। সেই সঙ্গে ভাটপাড়া পুরসভার টেন্ডার বেআইনিভাবে পাইয়ে দেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে বিজেপি সাংসদের বিরুদ্ধে। যে মামলায় আবার ইতিমধ্যেই পুরসভার এক কর্মী এবং এক ঠিকাদার গ্রেপ্তার হয়েছেন। যদিও এখনই অর্জুনের গ্রেপ্তারির সম্ভাবনা নেই। তাঁর দাবি, এই মামলায় সুপ্রিম কোর্ট থেকে রক্ষাকবচ নেওয়া আছে তাঁর। বিজেপি সাংসদের সাফ কথা, সুপ্রিম কোর্ট থেকে রক্ষাকবচ নেওয়া আছে আমার। আমাকে ডাকতে পারে, কিন্তু গ্রেপ্তার করতে পারবে না। পাশাপাশি রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে প্রতিহিংসার রাজনীতির অভিযোগও তুলেছেন বিজেপি নেতা।

মে ২১, ২০২১
রাজ্য

ভাটপাড়ায় দফায়-দফায় বোমাবাজি

ভোট যত এগিয়ে আসছে ততই বাড়ছে রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা। কোথাও বোমাবাজি তো কোথাও হাতাহাতির ঘটনা ঘটছে। যেমন বুধবার রাতে উত্তপ্ত হয়ে উঠল বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের খাসতালুক ভাটপাড়া। দাপুটে সাংসদের বাড়ির সামনে বোমাবাজির অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। পুলিশও কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলে দাবি অর্জুন সিংয়ের। এ নিয়ে বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনেও যাবেন বলে জানিয়েছেন সাংসদ।স্থানীয় সূত্রে খবর, বুধবার সন্ধে সাড়ে সাতটা নাগাদ ভাটপাড়ার ১৮ নং ওয়ার্ডে ৮ নং গলিতে এলাকায় বোমাবাজি শুরু হয়। ৮-১০টি বোমা পড়ে বলে অভিযোগ। সেই সময় এক বৃদ্ধ জখম হয়। উল্লেখ্য, এই এলাকাতেই সাংসদ অর্জুন সিংয়ের বাড়ি। বোমাবাজির সময় বাড়ি ছিলেন না সাংসদ। সন্ধেতে এলাকায় জগদ্দল থানার পুলিশ আসে। তাঁদের সামনেই ফের বোমাবাজি হয়। তখন ঘটনাস্থলে আসেন সাংসদও। অভিযোগ, সেই সময় অর্জুন পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন। এদিকে দ্বিতীয় দফা বোমবাজিতে এক ১৪ বছরের কিশোর জখম হয় বলে খবর।এদিকে ঘটনাটি যখন ঘটে সেই সময় ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন ছিল। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ এনেছেন সাংসদ। সূত্রের খবর, আজ, বৃহস্পতিবার পুলিশের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছেন অর্জুন সিং। বোমাবাজির ঘটনায় থমথমে গোটা এলাকা। রাতে ব়্যাফ নামানো হয়েছিল বলে খবর। তবে কে বা কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। যদিও বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই ঘটনা ঘটিয়েছে। সাংসদের কথায়, তৃণমূলের দালালি করছে পুলিশ। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থায় নিচ্ছে না তারা।

মার্চ ১৮, ২০২১
দেশ

"দল ছেড়ে ভালই করেছেন, নইলে আবার অসুস্থ হয়ে পড়তে পারতেন"

নাটকীয় ভাবে তৃণমূল ছাড়লেন দীনেশ ত্রিবেদী। পাশাপাশি রাজ্যসভার সাংসদপদও ছেড়ে দিয়েছেন। বস্তুত, রাজ্যসভাতেই তাঁর ওই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছেন দীনেশ। বলেছেন, আমার রাজ্যের সর্বত্র হিংসাত্মক ঘটনা ঘটছে। অথচ আমরা কিছু বলতে পারছি না। আমি রবীন্দ্রনাথ, নেতাজির ভূমি থেকে আসা মানুষ। তাই এটা আমি আর দেখতে পারছি না। আমি একটি দলে আছি। তাই দলের শৃঙ্খলা মেনে চলতে হচ্ছে। কিন্তু আমার দমবন্ধ হয়ে আসছে। এর চেয়ে ইস্তফা দিয়ে বাংলায় গিয়ে কাজ করা ভাল। তাঁর আরও বক্তব্য, আমি আমার অন্তরের ডাক শুনেছি। সকলকেই কখনও না কখনও অন্তরাত্মার ডাক শুনতে হয়।পাশাপাশিই দীনেশ বলেছেন, আমি তৃণমূল ছাড়ছি। তবে পশ্চিমবঙ্গের মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। জল্পনা, অতঃপর বিজেপি-তে যোগ দিতে পারেন দীনেশ। দীনেশের ওই ঘোষণা শুনে রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান দীনেশকে বলেন, এ ভাবে ইস্তফা দেওয়া যায় না। এর একটি পদ্ধতি আছে। আপনি রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত ভাবে পদত্যাগপত্র জমা দিন। দীনেশ যে ভাবে আচম্বিতে দল এবং রাজ্যসভার সাংসদপদ ছাড়ার কথা ঘোষণা করেছেন, তাতে চমকিত তৃণমূল। যদিও সংসদে দীনেশের সতীর্থ প্রবীণ সাংসদ সৌগত রায় বলেছেন, উনি ছেড়ে দেওয়ায় আমরা দুঃখিত। দীনেশ ক্ষুব্ধ ছিলেন। বিভিন্ন আলোচনায় তিনি আমাকে সে কথা বলেছিলেন। দিল্লির কিছু নেতাকেও বলেছিলেন। তবে উনি যে এ ভাবে দল ছেড়ে দেবেন, সেটা সম্পর্কে কোনও ধারণা আমাদের ছিল না। বস্তুত, দীনেশ নিজেও কোনও পরিচিত মহলেই দল ছাড়ার বিষয়ে স্পষ্ট কোনও ইঙ্গিত দেননি। তবে তৃণমূলে থেকে যে তিনি সন্তুষ্ট নন, তা ঘনিষ্ঠমহলে জানিয়েছিলেন।তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে, বৃহস্পতিবারই দীনেশ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি টুইটকে রিটুইট করেছিলেন। যা থেকে তাঁর বিজেপি-তে যোগদানের সম্ভাবনা আরও জোরাল হচ্ছে। গত লোকসভা ভোটে ব্যারাকপুর কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের হয়ে লড়ে হেরে গিয়েছিলেন। জিতেছিলেন অর্জুন সিং, যাঁর সঙ্গে জেলার রাজনীতিতে তাঁর দ্বন্দ্ব সুবিদিত। অর্জুন অবশ্য দীনেশের তৃণমূল ত্যাগের কথা শুনে প্রাক্তন রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে বিজেপি-তে স্বাগত জানিয়েছেন। দীনেশের পদত্যাগে তাঁর রাজ্যসভার সতীর্থ সুখেন্দুশেখর রায় বলেছেন, ওঁর যখন দমবন্ধ হয়ে আসছিল, তখন দল ছেড়ে ভালই করেছেন। নইলে আবার অসুস্থ হয়ে পড়তে পারতেন। কিন্তু একটা বিষয়ে খটকা লাগছে। যখন রাজ্যসভায় আমাদের দলের বলার সময় শেষ হয়ে গিয়েছিল, তখন চেয়ারম্যান কেন ওঁকেই বাজেট নিয়ে বলতে দিলেন! এটা তো নজিরবিহীন। সেই সময়েই সুযোগ পেয়ে উনি গোটা দেশের সামনে ওই কথাগুলো বলেছেন। আমাদের ধারনা, ওঁকে কথাগুলো বলার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। এটা আমরা ভাল করে খোঁজখবর নিয়ে দেখব।আরও পড়ুন: দিনভর বামেদের হরতালে কী ঘটল বাংলায়? পড়ুন

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২১
দেশ

এখনই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না , সুপ্রিম কোর্টের রায়ে স্বস্তিতে বিজেপি

বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে এখনই কোনও শান্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে মামলায় মুকুল রায়, অর্জুন সিংদের স্বস্তি দিল সুপ্রিম কোর্ট।রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে দ্বারস্থ হয়েছেন অর্জুন সিং, মুকুল রায়-সহ একাধিক বিজেপি নেতা। মামলাকারীদের দাবি, বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে তাঁদের বিরুদ্ধে পরিকল্পনামাফিক একাধিক মামলা দায়ের করা হচ্ছে। এই মামলাগুলির তদন্ত সিবিআইয়ের মতো কোনও নিরপেক্ষ সংস্থা দিয়ে করানো হোক। আরও পড়ুন ঃ বঙ্গবন্ধুর সম্মানে ডাকটিকিট উন্মোচন করল কেন্দ্রীয় সরকার এদিন সুপ্রিম কোর্টে মামলাটির শুনানিতে আবেদনকারীদের পক্ষে আইনজীবী মুকুল রোহতগি বলেন, বাংলায় এখন বিজেপিতে যোগ দেওয়াটাই ফৌজদারি অপরাধ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই প্রসঙ্গে ভারতী ঘোষের বিরুদ্ধে মামলার প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন তিনি। শুনানি শেষে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, যতক্ষণ পর্যন্ত পরবর্তী শুনানি হচ্ছে, ততক্ষণ মুকুল রায়, অর্জুন সিং-এর মতো বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। বক্তব্য জানতে চেয়ে রাজ্য সরকার ও পুলিসকে নোটিশ দিল শীর্ষ আদালত। ৪ সপ্তাহের মধ্যে হলফনামা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শ্রীরামপুরে বিজেপি নেতা কবীর শঙ্কর বসুকে হেনস্থার ঘটনায় সিআইএসএফের কাছে রিপোর্ট তলব করা হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২০
কলকাতা

নির্বাচন কমিশনে অসত্য তথ্য দিয়েছেন অর্জুন সিংঃ শশী পাঁজা

যারা নিজেরা মিথ্যে কথা বলেন, তাঁরাই অন্যদের অসম্মান করেন। শনিবার তৃণমূল ভবনে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এভাষাতেই আগাগোড়া বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংকে বিঁধলেন রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা। তিনি বলেন, নির্বাচনের মনোনয়নপত্রেও অর্জুন সিং নিজের সম্পর্কে অনেক অসত্য বা অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। এরপরেই দুটি সংস্থার নাম বলেন তিনি। যার একটি ব্যাঙ্গালুরু ও অন্যটি দুবাইয়ের। দাবি করেন, এই দুটি সংস্থার শেয়ার হোল্ডার অর্জুন সিং। শুধুমাত্র একটি সংস্থাতেই তাঁর ২ লক্ষ টারার শেয়ার রয়েছে। যা তিনি লোকসভা নির্বাচনের মনোনয়নপত্রে উল্লেখ করেননি। আরও পড়ুন ঃ বিজেপি হচ্ছে ঝালমুড়ির মতোঃ ফিরহাদ শুধু তাই নয়, এদিন আবারও শ্রাবন্তী সিনহা রায়ের কথা উল্লেখ করেন শশী পাঁজা। ওই মহিলা অর্জুন সিংয়ের স্ত্রী বলে দাবি করে তিনি বলেন, ব্যাঙ্গালুরুর ওই সংস্থায় শ্রাবন্তী সিনহা রায়েরও ২ লক্ষ টাকার বেশি শেয়ার রয়েছে। তাঁর সঙ্গে অর্জুন সিংয়ের বিয়ের সার্টিফিকেটও রয়েছে। অথচ নির্বাচন কমিশনে সেই বিষয়টি এড়িয়ে গিয়েছেন সাংসদ। এর ফলে মহিলাদের অসম্মান করা হচ্ছে। তাঁর প্রশ্ন, নিজের স্ত্রীকে স্বীকৃতি দেননি যেই ব্যক্তি তিনি মহিলাদের সম্মান করবেন কীভাবে? এদিন শশী পাঁজা আরও বলেন, শিবসেনা, অকালি দলের মতো অনেক দলই এক এক করে এনডিএ ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছে। তাই এখন এনডিএ-র শরিক হয়েছে সিবিআই, ইডি, ইনকাম ট্যাক্স। শশী পাঁজা অর্জুন সিংকে নিয়ে যে মন্তব্য করেছে, সে প্রসঙ্গে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ওনার যা অভিযোগ , তা নির্বাচন কমিশনে বলুক। প্রকাশ্যে বলছেন কেন? ওরা আমার বিরুদ্ধেও অনেক অভিযোগ ্করে। কিন্তু তার কোনটাই ধোপে টেকে না।

নভেম্বর ২৮, ২০২০
রাজনীতি

শুধু শুভেন্দু নয় , সৌগত রায় সহ আরও ৫ তৃণমূল সাংসদ যোগ দেবেন বিজেপিতেঃ অর্জুন

শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হচ্ছে রাজ্য রাজনীতিতে। এরমধ্যেই এবার বিস্ফোরক দাবি করলেন অর্জুন সিং। তিনি বলেন, শুধু শুভেন্দু অধিকারীই নয়, সৌগত রায়-সহ অন্তত ৫ জন তৃণমূল সাংসদ যে কোনও সময়ে ইস্তফা দিয়ে বিজেপিতে যোগদানের জন্য প্রস্তুত। এটা শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা। শনিবার সকালে ছটপুজো উপলক্ষে নৌকায় করে গঙ্গা ভ্রমণের সময়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ। তিনি আরও বলেন, শুভেন্দু অধিকারীকে বিজেপিতে স্বাগত। উনি যেদিন বিজেপিতে যোগ দেবেন সেদিই সরকার ভেঙে যাবে। রাজ্যের শাসক দলের সঙ্গে শুভেন্দুর দূরত্ব বাড়ছে। আরও পড়ুন ঃ অনেকেই মনে করছেন , রাজ্যে ৩৫৬ প্রয়োগ হোকঃ দিলীপ এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে বিজেপি সাংসদ বলেছেন, শুভেন্দু একজন জননেতা। সচেতন মানুষ। ওনাকে তৃণমূলে ক্রমাগত অপমান করা হচ্ছে। ওনার তৃণমূল ছেড়ে চলে আসা উচিত। বিজেপি শুভেন্দু অধিকারীকে স্বাগত জানাতে সবসময় প্রস্তুত। যদিও অর্জুনের দাবি খণ্ডন করে সৌগত রায় জানিয়েছেন, রাজনীতি ছেড়ে দেব, মরে যাব, তবু বিজেপিতে যাব না। রাজ্যে এসে এসব শিখিয়ে দিয়ে গেছেন অমিত মালব্যরা।

নভেম্বর ২১, ২০২০
রাজ্য

ভাটপাড়ায় খুন তৃণমূল কর্মী

গোষ্ঠীকোন্দলের জেরে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে এক তৃণমূল কর্মীকে খুন করার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। মৃতের নাম আকাশ প্রসাদ। তৃণমূল কংগ্রেসের টাউন প্রেসিডেন্ট সোমনাথ শ্যামের অনুগামী বলে এলাকায় পরিচিত আকাশ। উত্তর ২৪ পরগনার জগদ্দল থানার পাল ঘাট রোড এলাকার ঘটনা। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, গোষ্ঠীকোন্দলের জেরে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী অশোক সাউ ও তাঁর দলবল ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও আগ্নেয়াস্ত্রর বাঁট দিয়ে মেরে আকাশকে হত্যা করে ৷ তারপর বোমাবাজি করতে করতে এলাকা ছাড়ে তারা। আরও পড়ুন ঃ বৃদ্ধ দম্পতির দেহ উদ্ধার, গ্রেফতার ছেলে যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের টাউন প্রেসিডেন্ট সোমনাথ শ্যামের দাবি , এই ঘটনা ঘটিয়েছে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। এতে তৃণমূলের কেউ জড়িত নয়। অন্যদিকে, সাংসদ অর্জুন সিং বলেন, আকাশ প্রসাদ একজন দুষ্কৃতী ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে জড়িত ছিল বলে জানতাম। কিন্তু তৃণমূল কর্মী বলে জানতাম না। এই ঘটনায় বিজেপি-র কোনও যোগ নেই ৷ একথা আকাশের পরিবারই বলছে ৷ তৃণমূল তাদের গোষ্ঠীকোন্দল বিজেপি-র উপর চাপানোর চেষ্টা করছে।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

শেখ হাসিনাকে ঘিরে ফের জটিলতা! ভারতে আসছেন না তারেক রহমান? দিল্লির বার্তায় বাড়ছে জল্পনা

বাংলাদেশের রাজনীতিতে শেখ হাসিনাকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকেই ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কে নানা টানাপড়েন দেখা দিয়েছে। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে থাকার পর সেই সম্পর্কের সমীকরণ আরও জটিল হয়েছে।গত ৫ অগস্ট নয়াদিল্লি থেকে শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনের পর পরিস্থিতি আরও আলোচনায় আসে। দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করে হাসিনা যে বার্তা দিয়েছেন, তা বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু করেছে। বিশেষ করে তাঁর প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাকে ঘিরে বর্তমান সরকারের উপর রাজনৈতিক চাপ বাড়তে পারে কি না, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে।এরই মধ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা সামনে এসেছে। আগামী মাসে ভারতে অনুষ্ঠিত হতে চলা ব্রিকস সম্মেলনে তাঁর যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই সফর আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে।এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর একটি মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল। তিনি বলেছেন, দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী মুখোমুখি বসে কথা বললেই অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেতে পারে। তাঁর এই মন্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠছে, তবে কি ভারত ও বাংলাদেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে সরাসরি বৈঠককে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে দিল্লি?তবে তারেক রহমানের ভারত সফর এখনই বাতিল হয়ে গিয়েছে, এমনটা নিশ্চিত করে বলা হয়নি। কূটনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ব্রিকস সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের সম্ভাবনা এখনও রয়েছে। সম্মেলনের পাশাপাশি আলাদা করে বৈঠক হলে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের বেশ কিছু জটিল বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যের পরও নয়াদিল্লি স্পষ্ট করেছে, তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে ভারতের কোনও যোগ নেই। ফলে হাসিনাকে ঘিরে তৈরি রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভারত-বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কদুই বিষয়কেই আলাদা করে দেখছে দিল্লি বলে মনে করছেন কূটনীতিকদের একাংশ।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, তারেক রহমান শেষ পর্যন্ত ভারতে আসবেন কি না। তিনি এলে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মুখোমুখি বৈঠক হয় কি না, আর সেই বৈঠকে দীর্ঘদিনের জটিল সম্পর্কের কোনও বরফ গলে কি না, সেদিকেই নজর রয়েছে কূটনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
কলকাতা

হালিশহরে মমতার গাড়িতে কাদা-জুতো! ‘চোর’ স্লোগানের পর পানিহাটি থেকে বিস্ফোরক বার্তা শুভেন্দুর

হালিশহরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভের ঘটনায় রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। অভিযোগ, রবিবার তাঁর গাড়ি যাওয়ার সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ বিক্ষোভ দেখান। সেই সময় গাড়ি লক্ষ্য করে কাদা ও জুতো ছোড়া হয় বলেও অভিযোগ ওঠে। মমতাকে লক্ষ্য করে চোর স্লোগানও দেওয়া হয় বলে দাবি।পানিহাটিতে তিলোত্তমার মৃত্যুবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে গিয়ে এই ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ যথেষ্ট ব্যবস্থা করেছিল। টেলিভিশনের ছবিতে তিনি এক জন সিনিয়র পুলিশ আধিকারিকের নেতৃত্বে পুলিশকর্মীদের নিরাপত্তা দিতে দেখেছেন বলেও জানান শুভেন্দু।শুভেন্দুর আরও দাবি, ঘটনাস্থলে বিজেপির কোনও পরিচিত মুখ বা দলীয় পতাকা তিনি দেখতে পাননি। একই সঙ্গে তিনি মমতার হালিশহর সফর নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, ছুটির দিনে এক জন আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে মমতা সেখানে গিয়েছিলেন এবং পুলিশকে আগে থেকে জানানো হয়নি।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতাকে যথাসম্ভব নিরাপত্তা ও সম্মান দেওয়ার নির্দেশ রয়েছে বলেও জানান শুভেন্দু। তবে তাঁর পরামর্শ, কেউ সাহায্য চাইলে অবশ্যই সাহায্য করা উচিত। কিন্তু এমন কোনও জায়গায় গিয়ে পরিস্থিতি তৈরি করা উচিত নয়, যাতে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হয়।হালিশহরের ঘটনার সূত্রপাত থানার হেফাজতে এক ব্যক্তির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, মৃত ব্যক্তি তৃণমূলের কর্মী ছিলেন। রবিবার তাঁর বাড়িতে যাওয়ার পথেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ বিক্ষোভ দেখান বলে অভিযোগ। কাদা ও জুতো ছোড়ার ঘটনাও ঘটে বলে দাবি করা হয়েছে।এই প্রসঙ্গেই মমতাকে তিলোত্তমার বাড়িতে যাওয়ার পরামর্শ দেন শুভেন্দু। একই সঙ্গে হাত জোড় করে ক্ষমা চাওয়ার কথাও বলেন তিনি। তিলোত্তমাকাণ্ডের সময়কার একাধিক অভিযোগ তুলে মমতার বিরুদ্ধে তীব্র রাজনৈতিক আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী।শুভেন্দুর বক্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। এক দিকে হালিশহরে মমতার গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ ও কাদা-জুতো ছোড়ার অভিযোগ, অন্য দিকে সেই ঘটনার নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে শুভেন্দুর মন্তব্যসব মিলিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে ফের উত্তাপ ছড়িয়েছে।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
কলকাতা

দু’মাস কোথায় ছিলেন? ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে মুখ খুললেন অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিত, জানালেন সব

দুমাস ধরে পুলিশের খোঁজের বাইরে ছিলেন তিনি। তাঁর সন্ধানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতেও গিয়েছিল পুলিশ। শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের রক্ষাকবচ পাওয়ার পর সিআইডির তলবে ভবানী ভবনে হাজির হন অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়। পরপর দুদিন জিজ্ঞাসাবাদের পর রবিবার তদন্তকারীদের দফতর থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের একাধিক প্রশ্নের মুখোমুখি হন তিনি।পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনীতে জমি প্রতারণার মামলায় শনিবার সুমিতকে দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিআইডি। রবিবারও তাঁকে ফের ডাকা হয়। এদিন প্রায় আট ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। ভবানী ভবন থেকে বেরোনোর পর সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন সুমিত। তবে মামলা বিচারাধীন থাকার কারণে বেশির ভাগ বিষয়েই মন্তব্য করতে চাননি তিনি।গত দুমাস কোথায় ছিলেন, সাংবাদিকেরা এই প্রশ্ন করলে প্রথমে সুমিত বলেন, আমি এই বিষয়ে মন্তব্য করতে পারব না। পরে একই প্রশ্ন করা হলে তাঁর সংক্ষিপ্ত জবাব, এদিকে, আশপাশেই ছিলাম। তাঁর এই মন্তব্যের পর তিনি কলকাতাতেই ছিলেন কি না, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।এত দিন আত্মগোপনে থাকার কারণ জানতে চাওয়া হলে সুমিত বলেন, সুপ্রিম কোর্ট যেমন নির্দেশ দিয়েছে, তা-ই তো মেনে চলছি। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগ নিয়েও মুখ খুলতে চাননি তিনি। সেবাশ্রয়-সহ একাধিক বিষয়ে তাঁর নাম জড়ানোর প্রসঙ্গ উঠলে বলেন, মন্তব্য করতে পারব না।তাঁকে হেনস্থা করা হচ্ছে কি না, সেই প্রশ্নের উত্তরে সুমিত বলেন, হতে পারে। তবে কারা এর নেপথ্যে রয়েছে, তা নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তাঁর বক্তব্য, মামলা আদালতে বিচারাধীন। পুলিশ যখনই ডাকবে, তিনি তদন্তে সহযোগিতা করবেন।তাঁর বিরুদ্ধে টাকা নেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গেও প্রশ্ন করা হয়। সেই অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করে সুমিত বলেন, বাজে কথা। পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলিকে মিথ্যা বলেও দাবি করেন তিনি।এর আগে সিআইডির জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যেতে দেখা যায়। তৃণমূলের গাড়িতে করে সেখানে যাওয়ার বিষয়েও প্রশ্ন ওঠে। তার জবাবে সুমিত বলেন, যে অফিসে কাজ করি, সেই অফিস থেকে গাড়িটা দিয়েছে।এদিকে সুমিত নিজেই জানিয়েছেন, তাঁকে আগামী দিনেও তদন্তকারীদের সামনে হাজির হতে হবে। চাকরি দুর্নীতি সংক্রান্ত ডেবরার মামলায় তাঁকে ফের ডাকা হয়েছে। তাঁর কথায়, কাল ১১টার সময় ডেকেছে। তবে এদিন কোনও নথি সঙ্গে আনতে বলা হয়নি বলেও জানান তিনি।শালবনীর জমি প্রতারণা মামলা-সহ সুমিতের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এর আগে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ও লুকআউট নোটিসও জারি হয়েছিল বলে জানা যায়। পরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর তদন্তে সহযোগিতা করতে শুরু করেন তিনি। পরপর দুদিন ভবানী ভবনে জিজ্ঞাসাবাদের পর সুমিতের দুমাস কোথায় ছিলেনএই প্রশ্নের উত্তর ঘিরেই এখন নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
কলকাতা

‘লম্বা লড়াই, তবে তিলোত্তমাই জিতবে’, পানিহাটিতে শুভেন্দুর বিস্ফোরক ঘোষণা, ফের তদন্তের নির্দেশ

অভিশপ্ত ৯ অগাস্টের দুবছর পূর্ণ হল। তিলোত্তমার মৃত্যুবার্ষিকীতে রবিবার পানিহাটিতে আয়োজিত স্মরণসভায় উপস্থিত হয়ে বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তরুণী চিকিৎসকের মৃত্যু-রহস্য আরও গভীরে গিয়ে খতিয়ে দেখার জন্য নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।সভায় শুভেন্দু বলেন, লম্বা দুবছরের লড়াই। দীর্ঘ লড়াই। তবে আমি বলছি, নিশ্চিত ভাবে এই লড়াইয়ে তিলোত্তমা জিতবে। তাঁর বক্তব্য, এই ঘটনায় স্বজনপ্রীতি বা ব্যক্তিগত সম্পর্কের কোনও জায়গা থাকবে না। ঘটনায় যাঁরা জড়িত, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়া হবে।মুখ্যমন্ত্রী জানান, তিলোত্তমার দেহ তড়িঘড়ি সৎকারের পেছনে তৎকালীন প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কোনও ভূমিকা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। সেই সূত্রে তৎকালীন বিধায়ক নির্মল ঘোষের ভূমিকা নিয়েও তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি তৎকালীন বারাকপুরের পুলিশ কমিশনারের তদন্ত প্রক্রিয়াও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু।২০২৪ সালের ৯ অগাস্ট আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের সেমিনার রুম থেকে তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হয়েছিল। সেই ঘটনা গোটা রাজ্য তথা দেশের মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ তৈরি করেছিল। তদন্তে সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে গ্রেফতার করা হয়। পরে আদালতের নির্দেশে তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের হাতে। সঞ্জয় রায়ের যাবজ্জীবন সাজা হয়েছে। তবে শুরু থেকেই তিলোত্তমার পরিবার দাবি করে এসেছে, এই ঘটনায় আরও অনেকে জড়িত থাকতে পারেন।রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর নতুন করে তদন্তের ঘোষণাকে তাই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছে তিলোত্তমার পরিবার। তাঁদের আশা, এত দিন যে প্রশ্নগুলির উত্তর মেলেনি, নতুন তদন্তে তার কিছুটা হলেও স্পষ্ট হবে।তিলোত্তমার মৃত্যুর দুবছরের স্মরণসভায় নিজের সেই সময়ের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন শুভেন্দু। তিনি তৎকালীন সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ করে বলেন, রাখিপূর্ণিমার দিন অরাজনৈতিক নবান্ন অভিযানের সময় তিলোত্তমার মায়ের উপর পুলিশের লাঠিচার্জ হয়েছিল। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করতেও দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।শুভেন্দুর কথায়, আমি ভুলি না। যা করণীয় কাজ করছি, আগামী দিনেও করব। এর শেষ আমাকে দেখতেই হবে। ফলে তিলোত্তমাকাণ্ডে নতুন করে শুরু হওয়া তদন্তে ঠিক কী কী বিষয় খতিয়ে দেখা হয় এবং পুরনো কোনও প্রশ্নের নতুন উত্তর মেলে কি না, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
রাজ্য

হালিশহরে মমতার গাড়িতে হামলা? ‘টার্গেট ছিল মমতাকে শেষ করা’, বিস্ফোরক দাবি কল্যাণের

হালিশহরে পুলিশ হেফাজতে মৃত তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে যাওয়ার পথে বিক্ষোভের মুখে পড়েন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে জুতো, ইট ও পাথর ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়।মমতার সঙ্গে এদিন ছিলেন তৃণমূলের সাংসদ দোলা সেন এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, হালিশহরে যাওয়ার সময় মমতার গাড়িকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। তাঁকে লক্ষ্য করে ওঠে চোর স্লোগানও। পরিস্থিতির জেরে কিছু সময় গাড়ি আটকে থাকে বলে তৃণমূলের দাবি।হালিশহর থেকে ফিরে ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, মমতার গাড়ি লক্ষ্য করে বড় বড় পাথর ছোড়া হয়েছে এবং গাড়ির সামনে বাধা তৈরি করা হয়েছিল। একইসঙ্গে তাঁর অভিযোগ, বাইরে থেকে লোক এনে জমায়েত করা হয়েছিল এবং প্রায় এক ঘণ্টা তাঁদের আটকে রাখা হয়।কল্যাণের আরও দাবি, মমতার গাড়িতে যেভাবে পাথর ছোড়া হয়েছে, তাতে আরও বড় বিপদ ঘটতে পারত। তাঁর কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করেই হামলা চালানো হয়েছিল এবং তাঁকে শেষ করে দেওয়াই উদ্দেশ্য ছিল। তবে এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।ঘটনার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও সরব হন। তাঁর দাবি, গাড়ি লক্ষ্য করে প্রচুর ইট ছোড়া হয়েছে এবং দীর্ঘ সময় তাঁকে আটকে রাখা হয়েছিল। এই ঘটনার পিছনে বিজেপির কর্মীদের ভূমিকা রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে বিজেপির বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।মমতার বক্তব্য, তাঁকে এভাবে থামানো যাবে না। তিনি আরও বলেন, তিনি মানুষের কাছে যাবেন এবং কোনও বাধাতেই পিছিয়ে আসবেন না।হালিশহর থানার হেফাজতে এক ব্যক্তির মৃত্যুর অভিযোগকে কেন্দ্র করেই এই ঘটনা। মৃত ব্যক্তিকে তৃণমূল কর্মী বলে দাবি করেছেন মমতা। তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতেই হালিশহরে গিয়েছিলেন তিনি। সেই সফর ঘিরে বিক্ষোভ, গাড়িতে ইট-পাথর ছোড়ার অভিযোগ এবং পাল্টা রাজনৈতিক আক্রমণে নতুন করে উত্তপ্ত হয়েছে রাজ্য রাজনীতি।ঘটনায় কারা জড়িত ছিলেন, বিক্ষোভ কীভাবে তৈরি হয়েছিল এবং গাড়ি লক্ষ্য করে সত্যিই ইট-পাথর ছোড়া হয়েছিল কি না, তা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে। পুলিশি তদন্তে ঘটনার প্রকৃত ছবি সামনে আসে কি না, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
বিদেশ

হাসিনা ফেরার আগেই বাংলাদেশে বড় ‘পালাবদল’! বিএনপির সঙ্গে কি মিশছে আওয়ামী লিগ? সাংসদের মন্তব্যে তুঙ্গে জল্পনা

বাংলাদেশের রাজনীতিতে কি তৈরি হতে চলেছে নতুন সমীকরণ? দীর্ঘদিনের দুই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিএনপি এবং আওয়ামী লিগ কি এবার কাছাকাছি আসতে পারে? বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার জল্পনার মধ্যেই এমনই এক মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক চর্চা।চলতি বছরের ডিসেম্বরেই বাংলাদেশে ফিরতে চান শেখ হাসিনা, এমন খবর সামনে এসেছে। তার মধ্যেই আওয়ামী লিগকে নিয়ে বড় মন্তব্য করেছেন বিএনপির এক সাংসদ। সুনামগঞ্জ-২ আসনের সাংসদ নাসির উদ্দিন চৌধুরী বৃহস্পতিবার একটি সমাবেশে বলেন, আওয়ামী লিগ তাঁদের শত্রু নয়, বরং মিত্র। তাঁর দাবি, মুক্তিযুদ্ধের সময় দুই পক্ষ একসঙ্গে লড়াই করেছে এবং অদূর ভবিষ্যতে আওয়ামী লিগ বিএনপির সঙ্গে মিশে যেতে পারে।এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। তা হলে কি নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা আওয়ামী লিগকে ফের রাজনীতির মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনার কোনও পরিকল্পনা রয়েছে? বিএনপির সঙ্গে কি সত্যিই তৈরি হতে চলেছে নতুন রাজনৈতিক সমঝোতা? আপাতত এই প্রশ্নগুলির কোনও নিশ্চিত উত্তর মেলেনি।কারণ বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব এখনও আওয়ামী লিগের সঙ্গে দল মিশে যাওয়ার বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেনি। তারেক রহমানও এমন কোনও ইঙ্গিত দেননি। বরং শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে বাংলাদেশে ফেরানোর দাবি দীর্ঘদিন ধরেই করে আসছে বিএনপি।২০২৪ সালের ৫ অগস্ট ছাত্র-যুব আন্দোলনের জেরে আওয়ামী লিগ সরকারের পতন হয়। দেশ ছাড়েন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লিগ এবং তাদের ছাত্র সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রেও আওয়ামী লিগের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।এর পর থেকেই বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিএনপি এবং আওয়ামী লিগের সম্পর্ক আরও তিক্ত হয়েছে। শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার দাবিও জোরালো হয়েছে। সম্প্রতি শেখ হাসিনার অডিয়ো বার্তা প্রকাশ নিয়েও আপত্তি জানিয়েছিল বিএনপি।অন্যদিকে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাবনা ঘিরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে জুলাইয়ের গণআন্দোলনের সময় আন্দোলনকারীদের উপর গুলি চালানোর নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে এবং তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে বিএনপি সাংসদের আওয়ামী লিগকে মিত্র বলা এবং দুই দলের এক হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনার কথা বলাকে ঘিরে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে তাঁর এই মন্তব্যই দলের আনুষ্ঠানিক অবস্থান কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ফলে হাসিনার দেশে ফেরার আগে বাংলাদেশের রাজনীতিতে সত্যিই নতুন কোনও সমীকরণ তৈরি হচ্ছে কি না, এখন সেটাই বড় প্রশ্ন।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
কলকাতা

১০ ঘণ্টার জেরা শেষে সুমিত সোজা অভিষেকের বাড়িতে, ভবানী ভবনে কী জানলেন গোয়েন্দারা?

ভবানী ভবনে প্রায় ১০ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদের পর সিআইডি দফতর থেকে বেরোলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক হিসেবে পরিচিত সুমিত রায়। শনিবার সকালে নির্ধারিত সময়ের কয়েক মিনিট আগেই ভবানী ভবনে পৌঁছেছিলেন তিনি। দীর্ঘ জেরার পর সিআইডি দফতর থেকে বেরিয়ে সোজা চলে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে। তবে জেরায় সুমিতের কাছ থেকে ঠিক কী তথ্য পাওয়া গেল, তা এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। তাঁকে ফের তলব করা হয়েছে কি না, তা-ও স্পষ্ট নয়।পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনির জমি প্রতারণার মামলায় শুক্রবার রাতে সুমিতকে নোটিস পাঠায় সিআইডি। সেই নোটিসে সাড়া দিয়েই শনিবার ভবানী ভবনে হাজির হন তিনি। সুমিতের বিরুদ্ধে মোট চারটি মামলা রয়েছে বলে তাঁর আইনজীবী আগে জানিয়েছিলেন। এর মধ্যে জমি সংক্রান্ত মামলায় শীর্ষ আদালত থেকে সুরক্ষা পেয়েছেন তিনি। তদন্তে সহযোগিতা করার শর্তেই সেই সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই নির্দেশ মেনেই সিআইডির জেরায় হাজির হন সুমিত।জমি প্রতারণার মামলায় সুমিতের বিরুদ্ধে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত অভিযোগ রয়েছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, দুর্নীতির টাকা তাঁর কাছে পৌঁছেছিল। যদিও এই মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনও অভিযোগের কথা সামনে আসেনি। তবে সুমিত দীর্ঘ জেরার পর অভিষেকের বাড়িতে যাওয়ায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।সুমিতের নাম সামনে আসে মেদিনীপুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুজয় হাজরাকে গ্রেফতারের পর। অভিযোগ ওঠে, বিধানসভা নির্বাচনে টিকিট পাইয়ে দেওয়ার নামে কয়েক লক্ষ টাকা নেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি শালবনির জমি সংক্রান্ত মামলাতেও সুমিতের নাম অভিযুক্ত হিসেবে উঠে আসে।অভিযোগের তদন্তে সুমিতের খোঁজে এর আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতেও গিয়েছিল পুলিশ। সেখানে দীর্ঘ সময় তল্লাশি চালানো হলেও সুমিতের সন্ধান মেলেনি বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায়। এরপর থেকেই তাঁকে নিয়ে তদন্তকারীদের তৎপরতা বাড়ে। পুলিশের আবেদনের ভিত্তিতে আদালত তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা এবং লুকআউট নোটিসও জারি করেছিল বলে জানা গিয়েছে।পরে আদালতের দ্বারস্থ হন সুমিতের আইনজীবী। সেই আইনি প্রক্রিয়ার পর শনিবার সিআইডির তলবে ভবানী ভবনে হাজির হন তিনি। প্রায় ১০ ঘণ্টার জেরা শেষে বেরিয়ে তাঁর গন্তব্য হয় অভিষেকের কালীঘাটের বাড়ি। এখন সিআইডির জেরায় কী তথ্য উঠে এল এবং তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
কলকাতা

ফের খুলছে আর জি করের ‘ফাইল’! অভয়ার ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় এ বার পৃথক তদন্ত স্বাস্থ্যদপ্তরের

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর ফের সক্রিয় হয়েছে আর জি কর-কাণ্ডের তদন্ত। হাই কোর্টের নির্দেশে ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই। এর মধ্যেই পৃথক ভাবে ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তর। শনিবার স্বাস্থ্যদপ্তরে সাংবাদিক বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়।স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ঘটনার দিন রাতে ধর্ষণ ও খুনের আগে এবং পরে ঘটনাস্থলে যাঁরা গিয়েছিলেন, তাঁদের ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। পাশাপাশি আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের ওই তরুণী চিকিৎসকের সঙ্গে কাজ করা অধ্যাপকদের সঙ্গেও কথা বলবেন তদন্তকারীরা। তদন্ত শেষে যে তথ্য উঠে আসবে, তা রাজ্য সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।স্বাস্থ্যদপ্তরের দাবি, নতুন করে তদন্তে হাসপাতালের প্রশাসনিক ও বিভাগীয় ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা হবে। কোথায় কী ধরনের ঘাটতি ছিল, সেই ঘাটতি কীভাবে তৈরি হয়েছিল এবং কেন তা আগে থেকে দূর করা যায়নি, তা জানার চেষ্টা করবেন তদন্তকারীরা।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার পরিবর্তনের পর আগে থেমে থাকা তদন্তের বিষয়গুলিও নতুন করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই আর জি কর-কাণ্ডে পৃথক তদন্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।আর জি কর-কাণ্ডের পর হাসপাতালের বিভিন্ন ত্রুটি এবং অনিয়ম নিয়ে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। এমনকি ওই তরুণী চিকিৎসক হাসপাতালের কিছু অন্ধকার দিক সম্পর্কে জানতে পেরেছিলেন এবং সেই কারণেই তাঁকে খুন করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ উঠেছিল। তবে এই দাবিগুলি এখনও অভিযোগের পর্যায়েই রয়েছে। নতুন তদন্তে হাসপাতালের ত্রুটি বা অনিয়ম আড়াল করার কোনও চেষ্টা হয়েছিল কি না, হয়ে থাকলে তার নেপথ্যে কারা ছিলেন, সেই বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্যদপ্তর।এদিকে রবিবার রাজ্যজুড়ে পালিত হবে অভয়া দিবস। দুই বছর আগে ৯ আগস্ট আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে চেস্ট মেডিসিন বিভাগের তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার স্মরণে রাজ্যের সমস্ত সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হবে।সকাল ১১টায় অভয়ার স্মরণে দুই মিনিট নীরবতা পালন এবং প্রদীপ প্রজ্বলনের কর্মসূচি রয়েছে। পাশাপাশি কয়েকটি জায়গায় ছোট সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যদপ্তরের কর্তারা।অভয়ার মা বিজেপি বিধায়ক রত্না দেবনাথও নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে রবিবার একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন। সেখানে বিকেলে উপস্থিত থাকার কথা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের।সিবিআইয়ের তদন্ত চলার মধ্যেই রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তরের এই পৃথক তদন্তে নতুন করে কোন তথ্য সামনে আসে, আর জি কর-কাণ্ডের তদন্তে তা কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ০৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal